লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে রমজান আসার আগেই মুড়ির বাজার চড়া। এক সপ্তাহের ব্যবধানে মুড়ির দাম কেজিতে বেড়েছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা।
উপজেলার বিভিন্ন পাইকারি ও খুচরা মুড়ির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে মুড়ির দাম বেড়ে যাওয়ায় এ নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও বচসা লেগেই আছে।
বিক্রেতারা বলছেন, প্রতি কেজি মুড়ি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাড়তি দামের কারণে ক্রেতারা দুষছেন খুচরা বিক্রেতাদের। খুচরা বিক্রেতা দুষছেন সরবরাহকারীদের। সরবরাহকারীরা দুষছেন মিলার ও ফ্যাক্টরি মালিকদের। আর মিলার ও ফ্যাক্টরি মালিকরা বলছেন মুড়ির উপাদান ধান চালের বাজার চড়া। তাছাড়া মহামারী করোনার প্রদূর্ভাবের কারণে বাজারে চালের সংকট হচ্ছে। তাই চাহিদা মেটাতে পারছেন না তারা। এছাড়া ফ্যাক্টরিগুলো বন্ধ থাকায় মুড়ির উৎপাদনও কমে গেছে অনেক। যে কারণে মুড়ির দাম বেড়েছে।
উপজেলার কয়েকজন মিল মালিক ও পাইকার জানান, উৎপাদন পর্যায়ে দাম বাড়ায় খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে। একটি উৎপাদন কারখানায় এক সপ্তাহ আগেও দৈনিক যেখানে উৎপাদন হতো ২২০ থেকে ২৩০ বস্তা মুড়ি (প্রতি বস্তা ৫০ কেজি) সেখানে শ্রমিক সঙ্কটের কারণে বর্তমানে তা নেমে এসেছে মাত্র ৪০ থেকে ৫০ বস্তায়। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে পাইকারি থেকে খুচরা বাজারে। পাইকার থেকে যে মুড়ি কেজিপ্রতি ছাড়া হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকায়, খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়।
উপজেলা বণিক সমিতির সভাপতি শফিক পাঠান বলেন, কয়েকজন ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে দাম বাড়াচ্ছে । এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি


0 Comments