সামাজিক চাপে অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, বাড়িতে থাকতে পারেননি।।
করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ার পর যারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তাদের সবার ভর্তি প্রয়োজন ছিলো না। সামাজিক চাপের কারণে তাদের অনেকেই বাড়িতে থাকতে পারেননি; হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
আজ সোমবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস নিয়ে নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এসব তথ্য জানান রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
তিনি বলেন, হাসপাতালে যারা ভর্তি হয়েছেন তাদের সবার ক্ষেত্রে ভর্তি প্রয়োজন ছিলো না। সামাজিক চাপের কারণে তাদের বাড়িতে না রেখে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দিতে হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইডলাইনেও বলা আছে, কেউ চাইলে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিতে পারেন, এতে হাসপাতালের ওপর চাপ কম পড়বে।
আইইডিসিআর পরিচালক বলেন, আক্রান্ত শনাক্তদের মধ্যে বয়স বিভাজনের ক্ষেত্রে ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ২১ ভাগ। এরপরে রয়েছে ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৯ ভাগ। আর ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে রয়েছে ১৫ ভাগ। আক্রান্তদের মধ্যে শতকরা ৬৮ ভাগ পুরুষ।
সেব্রিনা ফ্লোরা জানান, আক্রান্তদের মধ্যে শতকরা ৪৬ ভাগ ঢাকার। এরপর নারায়ণগঞ্জে ২০ ভাগ এবং তার পরে গাজীপুরেও অনেকে আক্রান্ত হয়েছে। এরপর চট্টগ্রাম ও মুন্সীগঞ্জেও রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঢাকার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মিরপুরে।
তিনি বলেন, আমরা টোলারবাগে বেশি আক্রান্ত দেখেছিলাম। এখন মিরপুরের বিভিন্ন অঞ্চল এবং টোলারবাগের পুরোটা এলাকা ধরে যদি আমরা বলি, এটা শতকরা প্রায় ১১ ভাগ। এরপরে রয়েছে মোহাম্মদপুর এলাকা। সেখানে শতকরা ৪ ভাগ। ওয়ারি এবং যাত্রাবাড়ী এ সমস্ত জায়গায় শতকরা ৪ ভাগ, উত্তরায় শতকরা ৩ ভাগ ও ধানমন্ডিতে শতকরা ৩ ভাগ সংক্রমিত ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া গেছে।


0 Comments