ডায়াবেটিক রোগীর করণীয় রোজায়।



কিছু সতর্কতা মেনে ডায়াবেটিস রোগীরাও রোজা রাখতে পারবেন। এ বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন এনাম মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ডায়াবেটিস ও হরমোন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মাজহারুল হক তানিম। লিখেছেন আতিফ আতাউর।

পবিত্র রমজানে খাবার খাওয়ার সময়সূচি পরিবর্তিত হয়। পরিবর্তিত হয় ওষুধ বা ইনসুলিনের সময়সূচি ও মাত্রা। প্রথমেই আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করে ওষুধের মাত্রা (ডোজ) ও সময়সূচি সমন্বয় করে নিন। চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে তিনবারের ওষুধ এক বা দুবারে পরিবর্তন করে নিন।

একেবারে শেষ সময়ে সাহির খান। এতে করে সারা দিনে ব্লাড সুগার ভালো থাকবে। ডায়াবেটিক রোগীদের সাহির না খেয়ে কোনোভাবেই রোজা রাখা সমীচীন হবে না।

১. ইফতারে মিষ্টিজাতীয় খাবার ও ভাজাপোড়া যতটা সম্ভব পরিহার করে চলতে হবে।


২. ইফতারের সময় এবং ইফতারের পর প্রচুর পানি খান।

৩. তারাবির নামাজ আদায় করুন। এতে করে ডায়াবেটিক রোগীদের নিয়মিত হাঁটা ও ব্যায়ামের কাজটিও হয়ে যাবে।

৪. যদি শরীরে কাঁপন শুরু হয় অথবা অতিরিক্ত ঘাম হয়, তখনই ব্লাড সুগার পরীক্ষা করুন। এ ছাড়া প্রতিদিন বিকেলে বাসায় বসেই ব্লাড সুগার পরীক্ষা করে নিন।

৫. ব্লাড সুগার ৩.৩ মিলি মোলের নিচে এবং ১৬.৭ মিলি মোলের বেশি হলে রোজা ভেঙে ফেলুন। পরবর্তী কোনো সময় রোজাটি আদায় করে নেওয়ার প্রতিজ্ঞা করুন।

৬. রোজা রাখার কিছু স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও পাবেন ডায়াবেটিক রোগীরা। যেমন—এতে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে। ওজন কমে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

Post a Comment

0 Comments