সুমন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ২২তম ব্যাচের। জগন্নাথ হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন তিনি।
এদিনের সুমনের মৃ'ত্যুতে শোক প্রকাশ করছেন তার সহপাঠিরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী জানান, অনেকদিন ধরেই সুমন ফুসফুসজনিত রোগে ভুগছিলেন এবং গত কয়েকদিন তার শারীরীক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিভিন্ন হাসপাতাল ঘুরেও চিকিৎসা নিতে পারেননি। তিনি বলেন, করোনা আতঙ্কে পরিস্থিতি এমন একটা পর্যায়ে ঠেকেছে যে, সাধারণ রোগীদেরকেও চিকিৎসা দিতে ভ'য় পাচ্ছেন ডাক্তাররা। আম'রা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার তাঁর বিদেহী আত্মা'র শান্তি কামনা করছি।
তার এক বন্ধু ফেসবুকে লিখেছেন, সুমন সব সময় নিজেকে ব্যস্ত রাখত। একদিন হঠাৎ তার শরীরে ক্যান্সার ধরে পড়ে। ভারতে দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে দেশে ফিরেও এসেছিলো। ফেরার পর একদিন আমাকে সে জানায়, ‘ভাই আমি আবারও DURS এ কাজ শুরু করতে চাই’। আমি সাথে সাথে তাকে ফোন করে কাজ শুরু করতে বলি, স্বাগত জানাই।
‘গত কয়েকদিন আগে সে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়, আমা'র ‘করোনা হয়নি। অথচ পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে করোনার কারণেই আমাকে মা'রা যেতে হবে’। ঠিকই, সুমন আর নেই! করোনা নয়, আগের হওয়া ক্যান্সারেই তার জীবন গেছে। জীবন করেনি তাকে ক্ষমা হায়! তোমা'র অকাল প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত আম'রা, ওপারে ভালো থাকো ভাই! এছাড়া কিইবা আর চাওয়ার আছে!

0 Comments